বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
মূর্তিপূজা: আল্লাহর সাথে শিরকের মহোৎসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত খাবার-পানি গ্রহণ করবেন না সাদ্দাম মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার, সোনাগাজীতে দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার ফেনীতে ১৫ দিনেও নিখোঁজ কিশোরের খোঁজ মেলেনি, উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে ওএসডির নেপথ্যে কি? ‘ফেনীর প্রান্তর’-এ সংবাদ প্রকাশের পর নবাবপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিভাগীয় পরিচালক জিয়া উদ্দিন হৃদয়ের সম্পাদনায় ফেনী সরকারি কলেজে প্রকাশিত ‘স্বপ্নচারী’ ❝সততা ও উন্নয়নের পথে অটল এক অধ্যায়ের সমাপ্তি অধ্যক্ষ প্রফেসর এনামুল হক খোন্দকার স্যারকে বিদায়❞ এলপিজির দাম বাড়ল ২৫২ টাকা, ১২ কেজির সিলিন্ডার এখন ১,৮৩৭ টাকা দাগনভূঞায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

মূর্তিপূজা: আল্লাহর সাথে শিরকের মহোৎসব

আনোয়ার হোসাইন বিন আহমেদ / ৪১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

মূর্তিপূজা: আল্লাহর সাথে শিরকের মহোৎসব

মূর্তিপূজা কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়; ইসলামের তাওহীদী আকিদার দৃষ্টিতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও উপাসনা করা শিরক। মানুষ, প্রকৃতি কিংবা মানুষের হাতে তৈরি কোনো বস্তুকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করার মাধ্যমে মানুষ তার স্রষ্টার অধিকার অন্যের জন্য নির্ধারণ করে। পবিত্র কুরআন বারবার মানুষকে এই ভ্রান্তি থেকে ফিরে এসে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার আহ্বান জানিয়েছে। মূর্তিপূজা নিয়ে কুরআনের বক্তব্য, নবীদের দাওয়াত এবং তাওহীদের মৌলিক শিক্ষা বিশ্লেষণ করলে বিষয়টির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১. ইবাদতের অধিকার একমাত্র আল্লাহর

ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ—আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে বিশ্বাস করা এবং ইবাদতের ক্ষেত্রে কাউকে তাঁর শরিক না করা। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, রিজিক দেন এবং জীবন-মৃত্যুর মালিক। তাই ইবাদত, প্রার্থনা ও চূড়ান্ত আনুগত্যের অধিকারও একমাত্র তাঁর।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

আরবি:

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

অর্থ: “আমি জিন ও মানুষকে কেবল আমার ইবাদত করার জন্যই সৃষ্টি করেছি।” —সূরা আয-যারিয়াত, ৫১:৫৬।

এই আয়াত মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে দেয়। মানুষ কোনো মূর্তি, প্রতিমা কিংবা সৃষ্টির অন্য কোনো উপাদানের উপাসনার জন্য সৃষ্টি হয়নি। বরং সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর ইবাদত করাই তার জীবনের মূল লক্ষ্য।

২. মূর্তিপূজা সম্পর্কে কুরআনের সরাসরি ঘোষণা

মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে পবিত্র কুরআনের বক্তব্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট। আল্লাহ তাআলা বলেন—

আরবি:

فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ

অর্থ: “সুতরাং তোমরা মূর্তির অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকো এবং মিথ্যা কথা পরিহার করো।” —সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৩০।

এখানে মূর্তির অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তিকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করা তাওহীদের পরিপন্থী। কোনো কাজ বহু মানুষের কাছে প্রচলিত হলেই তা সত্য বা সঠিক হয়ে যায় না; বরং তার গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারিত হয় সত্যের মানদণ্ডে।

৩. ইবরাহিম (আ.)-এর দাওয়াত: মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে চিরন্তন প্রতিবাদ

মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কুরআনিক ঘটনাগুলোর একটি হলো নবী ইবরাহিম (আ.)-এর দাওয়াত। তাঁর পিতা ও সম্প্রদায় মূর্তিপূজায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি তাদের যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন—

আরবি:

إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا هَٰذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ

অর্থ: “যখন তিনি তাঁর পিতা ও সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, ‘এ কেমন মূর্তি, যেগুলোর পূজায় তোমরা নিবিষ্ট রয়েছ?’” —সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:৫২।

ইবরাহিম (আ.)-এর প্রশ্নটি ছিল চিন্তার দরজা খুলে দেওয়ার মতো। যে বস্তু মানুষ নিজেই তৈরি করে, যার কোনো স্বাধীন ক্ষমতা নেই, সেটি কীভাবে মানুষের উপাস্য হতে পারে?

তিনি আরও বলেছিলেন—

আরবি:

قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ ۝ وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ

অর্থ: “তিনি বললেন, ‘তোমরা কি নিজেদের হাতে খোদাই করা বস্তুর ইবাদত করো? অথচ আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো তাও।’” —সূরা আস-সাফফাত, ৩৭:৯৫–৯৬।

এই বক্তব্যের মধ্যে মূর্তিপূজার মৌলিক অসংগতিটি তুলে ধরা হয়েছে। মানুষ নিজের হাতে কোনো প্রতিমা তৈরি করে, তারপর সেই প্রতিমার কাছেই মাথা নত করে—এটি কি যুক্তিসংগত? ইসলামের তাওহীদী দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়।

৪. উপকার-অপকার করতে অক্ষম বস্তুর উপাসনা কেন?

মূর্তিপূজার পক্ষে অনেক সময় ঐতিহ্য, বিশ্বাস কিংবা আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের যুক্তি তুলে ধরা হয়। কিন্তু কুরআন মানুষকে উপাস্যের প্রকৃতি নিয়ে চিন্তা করতে বলে।

ইবরাহিম (আ.) তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন—

আরবি:

قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكُمْ شَيْئًا وَلَا يَضُرُّكُمْ

অর্থ: “তিনি বললেন, ‘তবে কি তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর ইবাদত করো, যা তোমাদের কোনো উপকারও করতে পারে না, অপকারও করতে পারে না?’” —সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:৬৬।

এর পরের আয়াতে তিনি বলেন—

আরবি:

أُفٍّ لَّكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

অর্থ: “ধিক তোমাদের এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদের ইবাদত করো তাদের প্রতি! তবুও কি তোমরা বুঝবে না?” —সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:৬৭।

কুরআনের এসব বক্তব্য মানুষকে বিবেক ও যুক্তি প্রয়োগের আহ্বান জানায়। সৃষ্ট বস্তু এবং স্রষ্টার মধ্যে পার্থক্য অনুধাবন করা তাওহীদ উপলব্ধির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৫. মূর্তিপূজা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া করেছিলেন ইবরাহিম (আ.)

ইবরাহিম (আ.) শুধু নিজের সম্প্রদায়কে মূর্তিপূজা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাননি; নিজের ও সন্তানদের জন্যও এই বিষয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন।

আরবি:

وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَٰذَا الْبَلَدَ آمِنًا وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَن نَّعْبُدَ الْأَصْنَامَ

অর্থ: “আর স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! এই নগরকে নিরাপদ করুন এবং আমাকে ও আমার সন্তানদের মূর্তিপূজা থেকে দূরে রাখুন।’” —সূরা ইবরাহিম, ১৪:৩৫।

লক্ষ করার বিষয়, যিনি তাওহীদের মহান প্রচারক, তিনিও মূর্তিপূজার বিপদ থেকে নিজেকে ও সন্তানদের রক্ষার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন। এটি মুসলিমদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। ঈমানের বিষয়ে আত্মতুষ্ট না হয়ে আল্লাহর কাছে অবিচল থাকার দোয়া করতে হবে।

৬. শিরক মানুষের সবচেয়ে বড় আত্মিক বিপর্যয়

কুরআনে শিরককে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন—

আরবি:

إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ

অর্থ: “নিশ্চয়ই শিরক মহা জুলুম।” —সূরা লুকমান, ৩১:১৩।

কেন শিরককে মহা জুলুম বলা হয়েছে? কারণ ইবাদতের যে অধিকার একমাত্র স্রষ্টার, তা অন্য কারও জন্য নির্ধারণ করা হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে এটি সৃষ্টিকর্তার সর্বোচ্চ অধিকারের পরিপন্থী।

আল্লাহ আরও বলেন—

আরবি:

إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَاءُ

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না; এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” —সূরা আন-নিসা, ৪:৪৮-এর অংশ।

এ আয়াতের অর্থ এই নয় যে, শিরক করে কেউ জীবিত অবস্থায় তওবা করলেও তার ক্ষমার সুযোগ নেই। বরং আল্লাহর সঙ্গে শিরক করে তওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করার পরিণতি সম্পর্কে এটি কঠোর সতর্কবাণী। আন্তরিক তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার দরজা জীবিত মানুষের জন্য উন্মুক্ত।

৭. পূর্বপুরুষের প্রথা সত্যের মানদণ্ড নয়

মূর্তিপূজার মতো ধর্মীয় প্রথার পেছনে অনেক সময় দীর্ঘদিনের সামাজিক ঐতিহ্য ও পূর্বপুরুষের অনুসরণের যুক্তি থাকে। কিন্তু কুরআন অন্ধ অনুকরণের পরিবর্তে সত্য যাচাইয়ের শিক্ষা দেয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

আরবি:

وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللَّهُ قَالُوا بَلْ نَتَّبِعُ مَا أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا

অর্থ: “আর যখন তাদের বলা হয়, ‘আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তা অনুসরণ করো’, তখন তারা বলে, ‘বরং আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের যে পথে পেয়েছি, সেটিই অনুসরণ করব।’” —সূরা আল-বাকারা, ২:১৭০-এর অংশ।

কোনো প্রথা বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসছে—এটি তার সত্যতার প্রমাণ নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্মীয় বিশ্বাস যাচাই করতে হবে আল্লাহর ওহী ও নবীদের শিক্ষা দিয়ে।

৮. মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হবে জ্ঞান, যুক্তি ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে

মূর্তিপূজার বিরোধিতা করা ইসলামের তাওহীদী শিক্ষার অংশ। কিন্তু সেই বিরোধিতা যেন অন্যায়, বিদ্বেষ, গালিগালাজ কিংবা মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের কারণ না হয়। ইসলামের দাওয়াতের পদ্ধতিও কুরআনে নির্ধারিত হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

আরবি:

ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ

অর্থ: “তুমি তোমার রবের পথে আহ্বান করো হিকমত ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে এবং তাদের সঙ্গে বিতর্ক করো উত্তম পন্থায়।” —সূরা আন-নাহল, ১৬:১২৫-এর অংশ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে: কোনো বিশ্বাসকে ইসলামের দৃষ্টিতে শিরক বলা এবং সেই বিশ্বাসের অনুসারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে অপমান করা এক বিষয় নয়। ইসলামের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে স্পষ্টভাবে, কিন্তু ন্যায়বিচার ও শালীনতা বজায় রেখে।

৯. উৎসবের জাঁকজমক নয়, বিশ্বাসের সত্যতা গুরুত্বপূর্ণ

কোনো ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন বড় হওয়া, মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ কিংবা সামাজিক স্বীকৃতি পাওয়া—এসব দিয়ে কোনো বিশ্বাসের সত্যতা নির্ধারিত হয় না। ইসলামের দৃষ্টিতে মূল প্রশ্ন হলো, ইবাদত কার জন্য নিবেদিত হচ্ছে এবং সেই বিশ্বাস আল্লাহর একত্ববাদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।

মূর্তি বা প্রতিমাকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করা, তার কাছে প্রার্থনা করা কিংবা তাকে আল্লাহর বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মনে করে ইবাদত করা ইসলামের তাওহীদী আকিদার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে মুসলিমদের কাছে মূর্তিপূজার কোনো ধর্মীয় আচারকে সমর্থন করার প্রশ্ন নেই।

তবে কোনো উৎসবে অংশগ্রহণের প্রকৃতি, উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট কাজের ধরন এক নয়। তাই নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ঘটনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে হলে তার প্রকৃত বিশ্বাস ও কাজের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

উপসংহার

মূর্তিপূজা নিয়ে কুরআনের আলোচনা কেবল প্রতিমা বা মূর্তির বাহ্যিক রূপকে কেন্দ্র করে নয়; বরং এর মূল বিষয় হলো তাওহীদ, ইবাদতের অধিকার এবং স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য। ইবরাহিম (আ.)-এর দাওয়াত থেকে শুরু করে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত পর্যন্ত একই বার্তা প্রতিধ্বনিত হয়েছে—ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য।

তাই একজন মুসলিমের দায়িত্ব হলো নিজের আকিদা বিশুদ্ধ রাখা, শিরক থেকে বেঁচে থাকা, সন্তানদের তাওহীদের শিক্ষা দেওয়া এবং যুক্তি ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে সত্যের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া।

মূর্তির জাঁকজমক নয়, সত্যের মানদণ্ড আল্লাহর ওহী। মানুষের তৈরি কোনো বস্তুর সামনে নত হওয়া নয়, বরং একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণই তাওহীদের মূল শিক্ষা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!