রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
ঘর ভাড়া পরিশোধে ৫০০ টাকায় মাথার চুল বিক্রি, ২ সন্তান নিয়ে রেললাইনে রেহানা স্বামীর পকেট থেকে না বলে টাকা নেওয়া কি স্ত্রীর জন্য বৈধ? ইসলাম কী বলছে? গ্যাস সংকট, লোডশেডিং, ভূতুড়ে বিল ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ফেনীতে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি আলোচনায় ফেনী সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ওরাকা বিন বাশারের তিন গান ছাগলনাইয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আরাফাত হোসেন (২৫) নামক এক ইলেকট্রনিক মিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মাসব্যাপী ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি’ আন্তঃথানা ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করল ফেনী জেলা ছাত্রশিবির জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ দুই শিক্ষার্থীর স্মরণে সোনাগাজী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল দাগনভূঞায় অস্বাভাবিক পৌরকর বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্থানীয়দের মানববন্ধন সোনাগাজীতে অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া আদায়ে প্রশাসনের অভিযান, ৪ চালককে জরিমানা ছাত্রলীগ নেতা নোমান হাবীবের নেতৃত্বে মিছিলের পর প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে ফেনীতে এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ

স্বামীর পকেট থেকে না বলে টাকা নেওয়া কি স্ত্রীর জন্য বৈধ? ইসলাম কী বলছে?

আনোয়ার হোসাইন বিন আহমেদ / ৫১ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
ছবিঃ এআই (ফেনীর প্রান্তর)

স্বামীর পকেট থেকে না বলে টাকা নেওয়া কি স্ত্রীর জন্য বৈধ? ইসলাম কী বলছে?

নিজের প্রয়োজন মেটাতে স্বামীর পকেট বা মানিব্যাগ থেকে অনুমতি ছাড়া টাকা নেওয়া—এটি কি ইসলামে বৈধ? নাকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আলাদা সম্পদের বিধান রয়েছে? এ বিষয়ে কোরআন ও সহিহ হাদিসে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

স্বামী-স্ত্রীর সংসারে অর্থনৈতিক বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক পরিবারে স্বামী সংসারের যাবতীয় খরচ বহন করেন। আবার অনেক স্ত্রীও নিজের প্রয়োজন, সন্তানের খরচ কিংবা ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের জন্য স্বামীর কাছ থেকে টাকা নেন। এ ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে—স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার পকেট বা মানিব্যাগ থেকে টাকা নেওয়া যাবে কি?

ইসলামের দৃষ্টিতে এর উত্তর এক কথায় ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ নয়। বিষয়টি নির্ভর করে টাকার মালিকানা, স্বামীর ভরণপোষণের দায়িত্ব এবং টাকা নেওয়ার উদ্দেশ্য ও পরিমাণের ওপর।

স্বামীর সম্পদ মানেই স্ত্রীর সম্পদ নয়

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে সংসার করলেও ইসলামী শরিয়তে দুজনের ব্যক্তিগত সম্পদের মালিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক হয়ে যায় না। স্বামীর উপার্জন তার সম্পদ এবং স্ত্রীর নিজস্ব উপার্জন বা সম্পদ তার নিজস্ব সম্পদ।

কোরআনে আল্লাহ বলেন— “হে মুমিনগণ! তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না; তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য হলে তা ভিন্ন কথা।” —সূরা আন-নিসা, ৪:২৯

এই আয়াতের মূলনীতি হলো, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করা যাবে না। স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রেও একে অপরের সম্পদের প্রতি সম্মান দেখানো জরুরি।

তাই শুধু স্ত্রী হওয়ার কারণে স্বামীর পকেটের সব টাকা নিজের ইচ্ছামতো নেওয়ার অধিকার তৈরি হয় না। স্বামী যদি টাকা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে থাকেন, অথবা সংসারে এমন প্রচলিত ব্যবস্থা থাকে যে স্ত্রী নির্দিষ্ট অর্থ নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নিতে পারেন, তাহলে বিষয়টি ভিন্ন।

তাহলে কি কখনো অনুমতি ছাড়া টাকা নেওয়া বৈধ?

হ্যাঁ—একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে এর অনুমতি সহিহ হাদিসে পাওয়া যায়।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, হিন্দ বিনতে উতবা (রা.) রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে অভিযোগ করেন যে তার স্বামী আবু সুফিয়ান (রা.) কৃপণ এবং তাকে ও তার সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ দেন না। তিনি জিজ্ঞেস করেন, স্বামীর অজান্তে তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ নেওয়া যাবে কি না।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন—

“তুমি তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য যতটুকু যথেষ্ট, প্রচলিত ও ন্যায়সংগতভাবে ততটুকু নিতে পারো।”

এই হাদিসটি সহিহ বুখারি ৫৩৬৪-তে বর্ণিত হয়েছে।

একই ঘটনা সহিহ মুসলিম ১৭১৪a-তেও এসেছে। সেখানে রাসুলুল্লাহ ﷺ প্রয়োজন মেটানোর মতো এবং প্রচলিতভাবে গ্রহণযোগ্য পরিমাণ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

অর্থাৎ, স্বামী যদি স্ত্রীর ও সন্তানের শরিয়তসম্মত প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ না দেন, তাহলে স্ত্রী তার প্রাপ্য ন্যায্য ভরণপোষণের পরিমাণ নিতে পারেন—এমন দলিল সহিহ হাদিসে রয়েছে।

তবে ইচ্ছামতো টাকা নেওয়ার অনুমতি নেই

হিন্দ (রা.)-এর হাদিসকে অনেক সময় ভুলভাবে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন স্ত্রী স্বামীর অজান্তে যত ইচ্ছা টাকা নিতে পারেন। বিষয়টি এমন নয়।

হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—“যতটুকু যথেষ্ট” এবং “ন্যায়সংগত/প্রচলিতভাবে”

অর্থাৎ, স্বামী প্রয়োজনীয় খরচ দিচ্ছেন না—এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রী নিজের ও সন্তানের মৌলিক প্রয়োজন পূরণের জন্য যতটুকু প্রাপ্য, তার বেশি নিতে পারবেন না।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, স্বামী যদি সংসারের খাবার, পোশাক, চিকিৎসা, বাসস্থানসহ প্রয়োজনীয় খরচ যথাযথভাবে দেন, কিন্তু স্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে আরও টাকা জমাতে চান—তাহলে গোপনে স্বামীর পকেট থেকে টাকা নেওয়াকে হিন্দ (রা.)-এর হাদিসের অনুমতির সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক হবে না।

স্ত্রীর ভরণপোষণ স্বামীর দায়িত্ব

ইসলামে পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীর ওপর দেওয়া হয়েছে। সূরা আন-নিসা ৪:৩৪-এ পুরুষের দায়িত্বের প্রসঙ্গে তাদের ব্যয়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া সূরা আল-বাকারা ২:২৩৩-এ সন্তানের মায়ের প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ ও পোশাকের ব্যয় বাবার ওপর থাকার কথা বলা হয়েছে, এবং তা ন্যায়সংগতভাবে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। অর্থাৎ, স্ত্রীকে সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ থেকে বঞ্চিত করা ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। বরং স্বামীর দায়িত্ব হলো নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রী ও পরিবারের প্রয়োজন পূরণ করা।

কোরআনে আরও বলা হয়েছে—

“সচ্ছল ব্যক্তি তার সচ্ছলতা অনুযায়ী ব্যয় করবে এবং যার রিজিক সীমিত, সে আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তা থেকেই ব্যয় করবে।”
—সূরা আত-তালাক, ৬৫:৭

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবারের ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রী স্বামীর টাকা নিতে পারবেন?

বিষয়টি সহজভাবে কয়েকটি পরিস্থিতিতে দেখা যেতে পারে।

১. স্বামী অনুমতি দিলে

স্বামী যদি স্ত্রীকে বলেন, “আমার পকেট থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা নিতে পারো”—তাহলে অনুমতি অনুযায়ী টাকা নেওয়া বৈধ।

২. সংসারের প্রচলিত ব্যবস্থায় অনুমতি থাকলে

অনেক পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন বোঝাপড়া থাকে যে স্ত্রী সংসারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা বা ব্যক্তিগত খরচের জন্য স্বামীর টাকা ব্যবহার করতে পারবেন। এ ধরনের পূর্বানুমতি বা পারস্পরিক সম্মতি থাকলে তা গোপন চুরি হিসেবে গণ্য হবে না।

৩. স্বামী প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ না দিলে

এটাই হিন্দ (রা.)-এর হাদিসের মূল ঘটনা।

স্বামী যদি স্ত্রী ও সন্তানের প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ না দেন, তাহলে স্ত্রী নিজের ও সন্তানের প্রয়োজন মেটাতে প্রাপ্য ও যুক্তিসংগত পরিমাণ নেওয়ার সুযোগ রাখেন। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম—উভয় গ্রন্থেই এর প্রমাণ রয়েছে।

৪. স্বামী যথাযথ খরচ দিলে, কিন্তু স্ত্রী গোপনে অতিরিক্ত টাকা নিলে

এ ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিজের ইচ্ছায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া, সঞ্চয় করা বা অন্য কাজে ব্যয় করার জন্য স্বামীর সম্পদ গোপনে নেওয়া সাধারণভাবে বৈধ নয়।

কারণ কোরআন অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছে।

সংসারের টাকা আর ব্যক্তিগত টাকা—দুটিকে আলাদা করতে হবে

অনেক পরিবারে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের আয় থাকলেও তারা একটি যৌথ সংসার পরিচালনা করেন। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পারস্পরিক সম্মতি ও পরিষ্কার বোঝাপড়া

যদি দুজন মিলে সিদ্ধান্ত নেন যে—

  • স্বামীর পুরো আয় সংসারের যৌথ অর্থ,
  • স্ত্রী প্রয়োজন অনুযায়ী সেই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন,
  • অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ স্ত্রী পরিচালনা করবেন,

তাহলে সেই চুক্তি অনুযায়ী অর্থ ব্যবহার করা বৈধ হতে পারে।

কিন্তু এমন কোনো অনুমতি বা বোঝাপড়া না থাকলে স্বামীর ব্যক্তিগত অর্থকে নিজের সম্পদ ধরে নেওয়া সঠিক নয়।

‘স্বামীর টাকা, তাই আমারও টাকা’—এই ধারণা কি ঠিক?

শরিয়তের দৃষ্টিতে শুধু বিবাহের কারণে স্বামী ও স্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকানা এক হয়ে যায় না।

একইভাবে স্ত্রীর নিজস্ব সম্পদও স্বামীর সম্পদ হয়ে যায় না। স্ত্রী তার নিজের উপার্জন, মোহরানা, উত্তরাধিকার বা অন্যান্য বৈধ সম্পদের মালিক।

তাই দাম্পত্য জীবনে অর্থনৈতিক বিষয়ে অধিকার ও দায়িত্ব দুটোই সম্মান করা জরুরি।

স্বামীরও কি দায়িত্ব আছে?

অবশ্যই। শুধু স্ত্রীকে গোপনে টাকা না নেওয়ার কথা বললেই ইসলামের পূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হবে না। স্বামীর ওপরও দায়িত্ব রয়েছে স্ত্রী ও সন্তানের প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ যথাযথভাবে দেওয়া। কোরআনে পরিবারের ব্যয়ের বিষয়ে একাধিক জায়গায় নির্দেশনা এসেছে। তাই কোনো স্বামী যদি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী ও সন্তানকে প্রয়োজনীয় খরচ না দেন, তাহলে তিনি নিজের দায়িত্ব থেকে মুক্ত নন। এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রীকে শুধু ‘চুরি করো না’ বলার পরিবর্তে তার ন্যায্য অধিকার ও ভরণপোষণের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে।

সবচেয়ে নিরাপদ পথ—খোলামেলা আলোচনা

দাম্পত্য জীবনে অর্থ নিয়ে গোপনীয়তা অনেক সময় অবিশ্বাস তৈরি করে। স্ত্রী যদি মনে করেন সংসারের খরচ কম দেওয়া হচ্ছে, ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণ হচ্ছে না অথবা সন্তানের প্রয়োজনীয় ব্যয় হচ্ছে না—তাহলে প্রথমে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করাই উত্তম।একইভাবে স্বামীরও উচিত স্ত্রীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং সংসারের আর্থিক বিষয়ে পরিষ্কার ব্যবস্থা তৈরি করা। কারণ ইসলামের দাম্পত্য শিক্ষা শুধু অধিকার আদায়ের নয়; বরং ন্যায়, আমানতদারি, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মানের শিক্ষা।

তাহলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী?

স্বামীর পকেট বা মানিব্যাগ থেকে অনুমতি ছাড়া টাকা নেওয়া সাধারণ নিয়ম হিসেবে বৈধ নয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক থাকলেও একজনের ব্যক্তিগত সম্পদ অন্যজনের ব্যক্তিগত সম্পদ হয়ে যায় না।

তবে স্বামী যদি স্ত্রী ও সন্তানের শরিয়তসম্মত প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ না দেন, তাহলে হিন্দ বিনতে উতবা (রা.)-এর ঘটনায় রাসুলুল্লাহ ﷺ প্রয়োজন অনুযায়ী এবং ন্যায়সংগত পরিমাণ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

তাই এখানে মূল বিষয় হলো—কেন টাকা নেওয়া হচ্ছে, কত টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটি স্ত্রীর বা সন্তানের প্রাপ্য প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে কি না।

অন্যদিকে, স্বামী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং কোনো অনুমতি বা পারস্পরিক বোঝাপড়া নেই—এমন অবস্থায় শুধু ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সঞ্চয় বা অতিরিক্ত খরচের জন্য গোপনে টাকা নেওয়া বৈধ বলা যাবে না।

তথ্যসূত্র

  1. আল-কোরআন, সূরা আন-নিসা ৪:২৯ — পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণের নিষেধাজ্ঞা।
  2. আল-কোরআন, সূরা আন-নিসা ৪:৩৪ — পরিবারের ব্যয় ও দায়িত্বের প্রসঙ্গ।
  3. আল-কোরআন, সূরা আল-বাকারা ২:২৩৩ — পরিবারের ভরণপোষণ ও বাবার ব্যয়ের দায়িত্ব।
  4. আল-কোরআন, সূরা আত-তালাক ৬৫:৭ — স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয়ের নির্দেশ।
  5. সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ৫৩৬৪ — হিন্দ (রা.)-এর ঘটনা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার অনুমতি।
  6. সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৭১৪ — একই ঘটনায় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নির্দেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!