অক্টোবরের শেষেও তীব্র গরম, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফেনীতে
অক্টোবরের শেষেও তীব্র গরম, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফেনীতে
অক্টোবর মাসের শেষ প্রান্তে এসেও তীব্র গরম থেকে স্বস্তি মিলছে না ফেনীতে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জেলায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হলো ফেনীতে। এতে জনজীবনে বাড়ছে ভোগান্তি।
ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ফেনী, বাঘাবাড়ী ও রামগতিতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ ছাড়া গত ৮ অক্টোবর ফেনী ও রামগতিতে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ফেনী ও শ্রীমঙ্গলে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ফেনীতে ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল থেকেই গরমের তীব্রতা অনুভূত হলেও দুপুরের দিকে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে। ঘরের ভেতরে কিংবা বাইরে—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও কৃষিশ্রমিকদের দুর্ভোগ বেশি। জীবিকার প্রয়োজনে তীব্র রোদ উপেক্ষা করেই তাঁদের কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত গরমের কারণে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে চাইছেন না অনেকে। বাইরে গেলেও রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন তাঁরা। দুপুরের দিকে স্বাভাবিক চলাফেরাও কষ্টকর হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ পরিস্থিতিতে গরমের কারণে অসুস্থতা এড়াতে প্রয়োজন ছাড়া তীব্র রোদে বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং বাইরে বের হলে ছাতা ব্যবহার বা মাথা ঢেকে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও খোলা আকাশের নিচে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







