‘ফেনীর প্রান্তর’-এ সংবাদ প্রকাশের পর নবাবপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিভাগীয় পরিচালক
‘ফেনীর প্রান্তর’-এ সংবাদ প্রকাশের পর নবাবপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিভাগীয় পরিচালক
নুর উদ্দিন রনি:
দীর্ঘ নয় মাস ধরে বন্ধ থাকা সোনাগাজীর নবাবপুর ইউনিয়নের ভোরবাজার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নিয়ে ‘ফেনীর প্রান্তর’-এ সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পরিবার পরিকল্পনা, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক আবু সালেহ মো. ফোরকান উদ্দিন।
পরিদর্শনের বিষয়টি ‘ফেনীর প্রান্তর’-এর বিশেষ প্রতিনিধি নুর উদ্দিন রনিকে ফোন করে নিজেই অবগত করেন বিভাগীয় পরিচালক আবু সালেহ মো. ফোরকান উদ্দিন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে তিনি ভোরবাজার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি পরিদর্শনে আসেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বাইরে ‘রবি ও বুধবার খোলা’ উল্লেখ করে নোটিশ টানানো থাকলেও দীর্ঘ নয় মাস ধরে সেখানে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা মিলছে না। স্বাস্থ্য সহকারী কিংবা নার্সদেরও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় না। ফলে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু ও নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে গত ৫ অক্টোবর স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। ওই দিনই মানববন্ধন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির দুরবস্থা নিয়ে ‘ফেনীর প্রান্তর’-এ সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় পরিচালক স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ শোনেন। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিয়মিত সময় দেবেন এবং রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন। এ সময় তিনি আরও জানান, জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির উন্নয়ন ও পুনর্নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে কেন্দ্রটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা ওমর ফারুক, মো. শামীম, আবু সাঈদ, সোহাগ ও মোহাম্মদ ইসমাইলসহ স্থানীয়রা।
দীর্ঘ নয় মাসের অচলাবস্থার পর বিভাগীয় পরিচালকের সরেজমিন পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি রবি ও বুধবার নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।







